তবে বুধবারের শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, এনআইএ তদন্তে তারা হস্তক্ষেপ করছে না। তবে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলল কলকাতা হাই কোর্টকে। এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট এনআইএ-র উদ্দেশ্যে বলে, ”আপনারা নথি খতিয়ে না দেখেই সেকশন ১৫-কে জাস্টিফাই বলে দিলেন?”
সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন, ”আপনাদের সামনে কেস ডায়েরি প্রস্তুত করা হয়নি। আর্থিক ক্ষতি করার ইচ্ছা ছিল, সেটা কীভাবে বলে দেওয়া যায়?” বিচারপতি বাগচি এদিন ২০২৫ সালের এপ্রিলেও এরকম একটি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। রাজ্যও স্বীকার করেছিল, তারপর হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এনআইএকে বলেছিল খতিয়ে দেখার জন্য । নেই নির্দেশ পেয়ে চুপচাপ বসে ছিল এনআইএ।
advertisement
মুর্শিদাবাদে বেলডাঙ্গার ঘটনায় এনআইএ সবদিক খতিয়ে না দেখে UAPA ধারায় মামলা দায়ের করায় সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে। UAPA-র প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা রিপোর্ট দিয়ে জানাক এনআইএ। কলকাতা হাইকোর্ট তারপর বিষয়টির বিচার করে দেখুক, নির্দেশ সর্বোচ্চ আদালতের। যে কোনও ধরনের আবেগতাড়িত বিক্ষোভ অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধনের জন্য করা হচ্ছে এমনটা নাও হতে পারে। এ বিষয়ে এনআইএ-কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ।
