এর আগে এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়েছে সাংসদ অভিনেতা দেব ওরফে দীপক অধিকারীকে। তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যও নোটিস পেয়েছেন। এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয় ভারতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও। যাদবপুরের কার্জননগর স্কুলের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে। ক্রিকেট খেলার ব্যস্ততার কারণে শহরে নেই শামি। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়, আপাতত শুনানিতে হাজিরা দিতে পারছেন না তিনি। বাড়ি ফেরার পর নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবেন তিনি।
advertisement
এসআইআর শুনানিতে ডাক পাঠানো হয় আর এক তারকা ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাকেও। বাংলা দলের হেডকোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা উত্তর হাওড়ার হিন্দি হাই স্কুলের ভোটার। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা উমেশ শুক্লার নাম মেলেনি। সেই কারণেই এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:শামির পরে লক্ষ্মীরতন! এসআইআর শুনানিতে ফের আরও এক তারকা ক্রিকেটারকে তলব
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি করেছে যে, পড়াশোনা, চিকিৎসা বা পেশাগত কারণে রাজ্যের বাইরে থাকলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানিতে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না। পরিবর্তে ওই ভোটারের পরিবারের কোনও সদস্য শুনানিকেন্দ্রে নথি নিয়ে গেলেই হবে।
শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার ক্ষেত্রে কারা ছাড় পাচ্ছেন? কমিশন জানিয়েছে, পড়াশোনা ও চিকিৎসার কারণে যাঁরা সাময়িক ভাবে রাজ্যের বাইরে আছেন, তাঁরা ছাড় পাবেন। এ ছাড়া, কোনও বেসরকারি সংস্থায় কাজের সূত্রে যাঁরা রাজ্যের বাইরে রয়েছেন, তাঁদেরও শুনানিতে সশরীরে হাজিরার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ভোটারদের কাউকে শুনানির নোটিস ধরানো হলে তাঁদের সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না। পরিবর্তে তাঁদের পরিবারের কোনও সদস্য উপযুক্ত নথি নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে যাবেন।
