বিবেচনাধীন নাম নিয়ে WBCS অ্যাসোসিয়েশনকে এবার কড়া উত্তর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের। CEO-র দফতর স্পষ্ট জানিয়ে দিল, বিবেচনাধীন সব মামলাই ইআরওদের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে হয়েছে, এমন কোনও দাবি তাঁরা করেনি।
দফতরের বক্তব্য, ইআরও/এইআরওদের স্তরে কিছু মামলা নিষ্পত্তিহীন থাকায় সেগুলি বিচারাধীন পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’, ERO/AERO–দের ঘাড়ে দোষ চাপাতেই কড়া জবাব WBCS অ্যাসোসিয়েশনের
advertisement
এই তথ্য নথিভুক্ত ও যাচাইযোগ্য বলেও জানানো হয়েছে। WBCS অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে দফতর। ইসিআই-তে ডেপুটেশনে থাকা অফিসারদের মুখপাত্রের ভূমিকা নেওয়া উচিত নয় বলে মত সিইও দফতরের।
শোনা কথার ভিত্তিতে মন্তব্য করে সাংবিধানিক বা আইনসিদ্ধ সংস্থাকে হেয় করার চেষ্টা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে– সতর্কবার্তা সিইও দফতরের। সরকারি কর্মীদের প্রযোজ্য আচরণবিধির ‘লক্ষ্মণরেখা’ মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই বার্তা বলে জানিয়েছে সিইও দফতর।
সোমবারই WBCS অ্যাসোসিয়েশন কড়া বার্তা দিয়ছিল রাজ্যের সিইও দফতরকে। CEOWestBengal–এর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি WBCS অ্যাসোসিয়েশনের। ‘Under Adjudication’ চিহ্নিত নাম নিয়ে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে তাঁরা। ERO/AERO–দের ঘাড়ে দোষ চাপানো হয়েছে বলে দাবি করে তা সরাসরি অস্বীকার করেছিল সংগঠন।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
