প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশ–মায়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে। কম্পনের গভীরতা ছিল মাঝারি থেকে বেশি, যার জেরে পূর্ব ভারতের একাধিক অংশে এর প্রভাব পড়ে। তবে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনে বাতিল পাঁচ জনের পরীক্ষা! সাসপেন্ড বেশ ক’জন শিক্ষক! কী ঘটেছিল?
advertisement
উৎসস্থল মায়ানমার। সেখানেই শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। ভারতীয় সময় রাত ৯টা ৫ মিনিটের কিছু আগে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মায়ানমারের সিতওয়ে শহরের কাছে। কম্পনের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ। কক্সবাজার থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে এবং সিতওয়ে থেকে আনুমানিক ১১০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বলে প্রাথমিক তথ্য জানাচ্ছে ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। কম গভীরতার কারণে কম্পনের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মায়ানমারের পাশাপাশি এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে বাংলাদেশ এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলেও। কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি কম্পন টের পান মানুষজন।
ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। বহু মানুষ বাড়ি ও অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে এখনও পর্যন্ত মায়ানমার, বাংলাদেশ বা ভারতের কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির সরকারি খবর মেলেনি। প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। সব থেকে বেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে মায়ানমার ছাড়াও বাংলাদেশের কক্সবাজার ঢাকা সহ মায়ানমার সংলগ্ন এলাকায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মায়ানমার ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা হওয়ায় এই ধরনের মাঝারি থেকে শক্তিশালী কম্পন নতুন নয়। তবে আফটার শকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই ভূমিকম্প আবারও স্মরণ করিয়ে দিল বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন অঞ্চল এবং ভারত–বাংলাদেশ–মায়ানমার ত্রিজংশনের ভূতাত্ত্বিক সংবেদনশীলতার বিষয়টি।
আজ দুপুরেও মায়ানমারে ভূমিকম্প হয় তবে সেটা সিটে থেকে একটু দূরে মান্ডালায়। তীব্রতা ছিল ৪.২।
