নির্যাতিতা চিকিৎসক পরিবার হয়ে তাঁর আইনজীবীরা প্রশ্ন করেন৷ তিনি প্রশ্ন করেন যে সিবিআইয়ের তরফে উচ্চ আদালতে যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা করা হয়েছে, সেই স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়৷ এর মাধ্যমে কোর্টকে মিসলিড করা হয়েছে৷ কারণ প্রথম দিকে তারা যে স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে তারা যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা করেছে তার মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।
advertisement
সিবিআই বৃহতর ষড়যন্ত্রের অংশীদার বলে অভিযোগ করেছে নির্যাতিতা চিকিৎসক পরিবারের আইনজীবীরা৷ তাঁদের পক্ষ থেকে পনেরো ঘণ্টা সিসিটিভির ফুটেজ হাতে পাওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়। সিবিআইয়ের তরফ থেকে বলা হয় যাদেরকে গ্রেফতার করার জন্য তারা আবেদন করছে, কোন সেকশনে তাদেরকে গ্রেফতার করার কথা বলছে? কারণ যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আবেদন করা হয়েছে তাদেরকে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে কিন্তু আইননুজায়ী গ্রেফতার করার জন্য যে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ প্রয়োজন সে তথ্যপ্রমাণ এদের বিরুদ্ধে নেই। যে আবেদন জানানো হয়েছে তা যাতে খারিজ করা হয় সেই আবেদনও সিবিআই করে আদালতে৷ সওয়াল জবাবের পর বিচারক অর্ডার রিজার্ভ রেখেছেন সম্ভাব্য আগামীকাল, শুক্রবার, অর্ডার দেওয়া হবে।
২০২৪ সালের আগস্টে ওই ঘটনার পরে শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়ক এবং আরজি কর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করলেও তাঁকে কার্যত ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে বলে নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ। এর আগে আরজি কর মামলায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মী অনুপ দত্তকে গ্রেফতারের দাবিতে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা।
