সিপিএমের দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে সদস্যদের পদ নবীকরণ বা রিনিউয়াল করতে হয়। সাধারণত সাধারণ পার্টি সদস্যদের নবীকরণ প্রক্রিয়া জানুয়ারির মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়। এরপর তা অনুমোদনের জন্য জেলা স্তরে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয়ভাবে সিপিআইএমে বিভিন্ন স্তরে যাঁদের সদস্যপদ থাকে, যাকে দলীয় পরিভাষায় ‘পার্টিকেন্দ্রের সদস্যপদ’ বলা হয়। তাঁদের নবীকরণ ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাওয়ার কথা। কিন্তু ফেব্রুয়ারির অর্ধেক সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও দীপ্সিতা ধরের সদস্যপদ নবীকরণ এখনও হয়নি বলে খবর। আর তা নিয়েই ফের জল্পনা ছড়িয়েছে, এবার কি প্রতীক উরের পথেই হাঁটবেন দীপ্সিতা?
advertisement
এই প্রশ্নের উত্তের দীপ্সিতা সাফ জানিয়ে দেন, ”আমাদের দলের সদস্যপদ রিনিউয়াল করার শেষ সময়সীমা ৩১ মার্চ। এখনও আমার কাছে প্রায় দেড় মাস সময় আছে। আর একজন পার্টি সদস্য, সে কীভাবে কখন রিনিউয়াল করবে, সেটা তো ভীষণ ভাবেই পার্টির আভ্যন্তরীণ ব্যাপার। সেটা বাইরেই বা আসছে কী করে? আর আমাকে জবাবই বা দিতে হচ্ছে কেন যে, আমি কবে পার্টির সদস্যপদ রিনিউয়াল করব।”
এরপরই দীপ্সিতাকে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে প্রতীক উরের মতো আপনার দলত্যাগ নিয়েও যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তা পুরোটাই রটনা? দীপ্সিতার জবাব, ‘একেবারেই তাই। প্রতীক উর দা দলকে চিঠি দিয়েছে। এরপর থেকেই প্রতীক উর-দার সঙ্গে আমার আর সৃজনের নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সৃজন স্পষ্ট ভাবেই জানিয়েছে ওর বক্তব্য। আমার ক্ষেত্রেও এই একই প্রশ্ন করা খুবই অস্বস্তিকর এবং ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছি।’
