শনিবার লিফটের পরীক্ষা পর্বে প্রাথমিক অনুসন্ধানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে বলে দাবি ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। তবে কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির পরিণতিতে এই মৃত্যু তদন্ত করছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরীক্ষার সময় দেখা গিয়েছে লিফটটি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। কপিকল বা ম্যানুয়াল ভাবে ওঠা নামা করে পরীক্ষা করা হয়েছে।
advertisement
বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে দেখতে চাইছেন, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন কখন হয়েছে! অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিফটে ওঠার পরই কি বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে? বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে তার স্থায়ীত্ব কতক্ষণ ছিল প্রাথমিক পর্যায়ে? কারণ প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে ওঠা নামা করতে শুরু করেছিল লিফট। তাহলে কি বিদ্যুৎ সংযোগ যাওয়া আসা করেছিল? এই বিভ্রাটের কারণে কি সেন্সর বিভ্রাট ঘটে? এই রকম একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা।
শনিবার পরীক্ষা করার সময় পুরোপুরি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল লিফট। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সেন্সর ফাংশন। সেখানেও গলদ থাকলে কি ধরনের গলদ তৈরি হয়েছিল দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত এদিন তদন্তে নেমে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা খতিয়ে দেখেন শুক্রবার রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ডিউটি রোস্টার। ওই সময় কালে যে যে জুনিয়র ডাক্তার, নার্স, গ্রুপ ডি স্টাফ, চুক্তিভিত্তিক নিরাপত্তা কর্মী ছিলেন প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পাশাপাশি, লিফটের কোনও সমস্যা হলে প্রত্যেক ফ্লোরে পি ডব্লিউ ডি ইলেকট্রিক্যাল এবং সুপারভাইজার-এর যোগাযোগ করার ফোন নম্বর স্টিকার দিয়ে লাগানো থাকার কথা, সেটা সর্বত্র ছিল কিনা তা-ও দেখা হয়।
