এখানেই শেষ নয়, মৃত ব্যক্তির শেষ সময়ে ক্রাশ ইনজিউরি ছিল, অর্থাৎ শরীরের বিভিন্ন অংশ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যায়। চিকিৎসকদের সন্দেহ বুকে ভারি কোনও জিনিস চেপে গিয়ে এটা হয়ে থাকতে পারে। এটা ইঙ্গিত করছে লিফটের দরজা দু’পাশ দিয়ে বুকে চেপে বসেছিল। এর জেরেই পাঁজর ভেঙ্গে খণ্ড খণ্ড হয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে ওই ব্যক্তির ফুসফুসে মারাত্মক আঘাত ছিল, হৃদপিণ্ডেও মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি আঘাত পেয়েছিলেন মস্তিষ্কেও, সেই সঙ্গে আঙুলের হাড়ও ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: রাজ্যের IAS, IPS-দের স্থানান্তর নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিল হাই কোর্ট
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে লিফট দুর্ঘটনায় দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পরিবারের অভিযোগ, লিফটে আটকে পড়ার পর অরূপবাবুর স্ত্রী বারবার সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। তাঁদের দাবি, লিফটম্যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।
অন্য রোগী ও তাঁদের পরিবারের তরফ থেকেও অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট লিফটটি বেশ কয়েক দিন ধরেই খারাপ ছিল। তবুও লিফট ব্যবহারে কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি, কোনও লিফটেই লিফটম্যান বা নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি ছিল না বলেও অভিযোগ।
