সূত্রের খবর, শুক্রবার আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালত আখতার আলির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। নির্দেশ ছিল অবিলম্বে পরোয়ানা কার্যকর করে তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের তিন দিন কেটে গেলেও আখতার অধরাই থেকে যান। হাওড়ার তাঁর দুটি ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েও খালি হাতেই ফিরতে হয় সিবিআইকে।
আরও পড়ুনঃ গণিত নিয়ে সবচেয়ে মাথাব্যথা! অঙ্ক পরীক্ষার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছাত্র-ছাত্রীদের
advertisement
সোমবার আখতার আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন—এই সম্ভাবনায় সকাল থেকেই কোর্টে হাজির ছিলেন তদন্তকারী অফিসার। সকাল ১০টা নাগাদ তিনি আদালতে পৌঁছন। ১০টা ৩০ মিনিটে সিবিআইয়ের আইনজীবী কোর্টে আসেন। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে হাজির হন সিবিআইয়ের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউট। কিন্তু সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত আদালতে দেখা মেলেনি আখতার আলি বা তাঁর আইনজীবীর।
উল্লেখ্য, শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই আখতার সোজা সিবিআই আদালতে পৌঁছেছিলেন। তবে সেদিন তাঁর আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আত্মসমর্পণের পক্ষে আবেদন জানানো সম্ভব হয়নি। সংবাদমাধ্যমে তখন আখতারের তরফে জানানো হয়েছিল, সোমবার তিনি আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করবেন।
কিন্তু সোমবার দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও সেই আশায় জল ঢালে। বিকেল চারটার পর আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তদন্তকারী অফিসার। ফলে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা গেল না, আর আখতার আলির অবস্থান ও আত্মসমর্পণ নিয়ে তৈরি হল নতুন করে ধোঁয়াশা।
