পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত থাকার জন্য বিধাননগর পুলিশের একটি টিম দিল্লি যাবে। ওই দিনই আদালতে প্রশান্ত বর্মণকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
হোটেল রুমে লুকানো ক্যামেরা আছে কি না বুঝবেন কী ভাবে? জেনে নিন ৫টি সহজ উপায়
advertisement
বিডিও প্রশান্ত বর্মণ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবারের মধ্যে তাঁকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ জানায়, কনসার্ন কোর্টে আত্মসমর্পণ করার পর প্রশান্ত বর্মণ নিয়মিত জামিনের আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থা চাইলে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানাতে পারে। অর্থাৎ এতদিন গ্রেফতারের চেষ্টা চললেও এবার আদালতের মাধ্যমেই পুলিশ হেফাজতের সুযোগ থাকল।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ অক্টোবর যাত্রাগাছি এলাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের। যদিও শুরু থেকেই তিনি দাবি করে আসছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই মামলায় প্রথমে রাজু ঢালি ও তুফান থাপা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে যোগসূত্র প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি রাজগঞ্জের বিডিও। পরে কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকারও গ্রেফতার হন। ঘটনার তদন্তভার রয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে।
এদিকে দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় চাপ আরও বেড়েছে প্রশান্ত বর্মণের উপর। রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মঞ্জুর করেছে বিধাননগর আদালত। বিধাননগর পুলিশের তরফে আদালতে এই আবেদন জানানো হয়েছিল। এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর সব তথ্য খতিয়ে দেখে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ পরামর্শ দিয়েছিলেন, প্রশান্ত বর্মণ দ্রুত বিধাননগর আদালতে আত্মসমর্পণ করুন। হাইকোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছিল, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে বিধাননগর আদালতে সারেন্ডার করতে হবে।
