নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় মোট ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ হয়ে যাবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলার পাশাপাশি প্রথম দফায় জঙ্গলমহলেও নির্বাচন রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে প্রথম দফায় নির্বাচন। পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও প্রথম দফায় ভোট। আবার দুই বর্ধমানে দুই দফায় হবে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় পশ্চিম বর্ধমানে ভোট রয়েছে।
advertisement
আর দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে আগামী ২৯ এপ্রিল, বুধবার। ওই দিন কলকাতাতেও যেমন ভোট রয়েছে। তেমনই পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোটগ্রহণ হবে।
এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যাক, কেবলমাত্র ২০০১ সালেই এ রাজ্যে এক দফায় ভোট হয়েছিল। তারপর এই নির্বাচনে মাত্র দুই দফায় ভোট হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। তাই ২৫ বছর পর এত কম দফায় বিধানসভা ভোট হচ্ছে এ রাজ্যে।
এ বার পশ্চিমবঙ্গে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। প্রথম বার ভোট দেবেন ৫ লক্ষ ২৩ হাজার জন। ইতিমধ্যে নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে বাংলায়। রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কোনও নির্বাচনী প্রচারে লাউডস্পিকার, বা কোনও ধরনের সাউন্ড অ্যাম্পলিফায়ার ব্যবহার করা যাবে না।
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্ট রবিবার ঘোষণা করে কমিশন। কিছু দিন আগেই কমিশনের ফুল বেঞ্চ কলকাতা থেকে ঘুরে গিয়েছে। বৈঠকে সব দলই কম দফায় ভোটের আবেদন জানিয়েছিল। আগের চেয়ে এ বার ভোটের দফা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। কয়েক লক্ষ নাম এখনও বিবেচনাধীন হিসাবে রয়েছে। এখনও অতিরিক্ত কোনও তালিকা প্রকাশিত হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার।
