সরকারি আইনজীবী অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় আদালতে বলেন, ‘‘এরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফুর্তি করেছে। গান শুনেছে, মানুষ মেরেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে এরা মানুষ মারার যন্ত্র করে দিয়েছে। লিফট বন্ধ রাখার দ্বায়িত্ব ছিল, সেই কাজ করেনি। তদন্তের প্রয়োজনে এদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানান হয়।’’
advertisement
পাল্টা অভিযুক্তদের আইনজীবীরা যেকোনও শর্তে জামিনের আবেদন করে। তাঁদের দাবি, যে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছে তাঁর মধ্যে দু’জন সিকিউরিটি গার্ডকে গ্রেফতার হয়েছে। ওটি-র সিকিউরিটি গার্ড। লিফটের জন্য নির্দিষ্ট লিফ্ট ম্যান আছেন। সিকিউরিটি গার্ড লিফটের সমস্যা বিষয়ে কীভাবে বুঝবেন। লিফটের বিষয়ে কী অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের? অভিযোগ, ‘‘আসল কার্লপিটদের আড়াল রেখে নিরীহদের নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্তকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যেকোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানায়।’’
আরও পড়ুন: প্রচারে যেতেই হঠাৎ এ কী করলেন গৃহবধু! চমকে গেলেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী
পাশাপশি এদিন আদালতে মৃতের পরিবারের তরফের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনজন লিফ্ট ম্যান এবং ২ জন নিরপত্তা রক্ষীর কী দ্বায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল এবং এরা কীভাবে নিজেদের দ্বায়িত্ব না পালন করে গাফিলতি করেছে সেই তথ্য তুলে ধরেন। পাশাপশি মৃতের পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, এই ৫ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন ছিলো, যারা নিজেদের দ্বায়িত্ব পালন করেনি। তাঁদের প্রত্যেককে তদন্তের আওতায় আনা হোক। সব পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারক আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
