আজ আলিপুর আদালতে তড়িৎ শিকদারকে তোলা হলে তার হয়ে আলিপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের সব উকিল দাঁড়ান। তাঁদের বক্তব্য, গাড়িতে ঠোকাঠুকি লাগার ফলে তড়িৎ বাবু যদি চড় মেরে থাকেন তাহলেও তড়িৎ বাবুর কোনও খুন করার উদ্দেশ্য ছিল না। ৩০৪ পার্ট ২ সেকশন, যা দেওয়া হয়েছে সেটা কোনও ভাবেই তড়িৎ বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বরাদ্দ হতে পারেনা। পিপি সমস্ত কিছু শোনার পর বেলে অবজেকশন করেন ৷ এরপর ম্যাজিস্ট্রেট সমস্ত কিছু শুনে তিন ঘন্টা পর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন এর আদেশ দেন। প্রশ্ন উঠছে এখানেই ৷
advertisement
কী করে জামিন অযোগ্য ধারা হওয়া সত্ত্বেও জামিন পেল তড়িৎ শিকদার? এই একই ধারায় জেল হয়েছিল আরসালান পারভেজের ৷ জেল হয়েছিল অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়েরও ৷ কিন্তু জামিন পেল তড়িৎ ৷ তাহলে কী নিজে আইনজীবী হওয়ার কারণেই এই বৈষম্যমূলক আচরণ আদালতের ?
Location :
First Published :
Oct 21, 2019 10:53 PM IST
