নিজের বার্তায় তিনি লেখেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তিনি সেই সব নারীর শক্তি, মর্যাদা এবং দৃঢ়তার কথা স্মরণ করছেন, যাঁরা সমাজ ও জীবনের গতিপথ গড়ে দেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় নারীর প্রতি সম্মান কোনও প্রতীকী বিষয় নয়, বরং তা এই রাজ্যের সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলায় মা দুর্গাকে কন্যা হিসেবে পূজা করা হয় এবং এই ভূমিকে ‘বাংলা মা’ বলে সম্বোধন করা হয়। এই ঐতিহ্যই বাংলার সমাজে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
advertisement
তাঁর কথায়, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমি সেই সব নারীর শক্তি, মর্যাদা এবং দৃঢ়তার কথা ভাবছি, যাঁরা আমাদের জীবনকে গড়ে তোলেন। বাংলায় নারীর প্রতি সম্মান শুধুমাত্র প্রতীকী নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। আমরা মা দুর্গাকে আমাদের কন্যা হিসেবে পূজা করি এবং এই ভূমিকেই ‘বাংলা মা’ বলে ডাকি।
১৫ বছর ধরে বাংলা এমন এক নারীর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে, যাঁর সাহস ও দৃঢ়তা দেশকে দেখিয়েছে দৃঢ় নেতৃত্ব কাকে বলে। শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নারী ক্ষমতায়ন মানে শুধু কথার কথা নয়, বরং লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে বাস্তব সমর্থন, সুযোগ এবং মর্যাদা পৌঁছে দেওয়া।
বাংলার প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে এই রাজ্যের নারীদের মধ্যেই। তাঁদের সাহস ও সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে একটি আরও শক্তিশালী, আরও ন্যায়ভিত্তিক এবং সমানাধিকারের সমাজ গড়ে তুলতে।”
একই সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর কথায়, গত পনেরো বছর ধরে এক নারী নেতৃত্ব বাংলাকে পরিচালনা করছেন এবং তাঁর সাহস ও দৃঢ়তা দেশের সামনে দৃঢ় নেতৃত্বের উদাহরণ তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর নেতৃত্বে নারী ক্ষমতায়ন শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, বরং তা বাস্তবে লক্ষ লক্ষ মহিলার কাছে সহায়তা, সুযোগ এবং মর্যাদা পৌঁছে দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পোস্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বাংলার প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে এই রাজ্যের নারীদের মধ্যেই। তাঁদের সাহস, সংগ্রাম এবং সাফল্য সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং একটি আরও শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও সমানাধিকারের সমাজ গড়ার প্রেরণা জোগায়। নারীদের এই অবদানকে সম্মান জানিয়েই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য আরও বেশি করে অনুভূত হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই দিনে তিনি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানকে সম্মান জানিয়ে তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার পথে আরও সমর্থন ও সুযোগ তৈরি করার আহ্বানও জানান। তাঁর মতে, নারীর ক্ষমতায়নই একটি সুস্থ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
