এই দিন মঞ্চে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভোট কীভাবে লড়তে হবে তা নিয়ে আজ আলোচনা করা হয়েছে। আমাদের কর্মী সমর্থকরা সকলেই মনে করে বিজেপিকে জেতাতে হবে। সব কর্মীরা আমাদের প্রার্থী । আমাদের দলের সামনে কোনো দল দাঁড়াতে পারে না তার কারণ আমাদের কর্মীরা রাষ্ট্রকে আগে রাখে তারপর দল । মোদি জি বারবার বলেন বুথ জেতো, নির্বাচন জেতো। বুথের জন্য আমাদের কর্মীরা লড়াই করে গেছে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে। ৪ মে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। একবার হোলি হয়েছে, আবার হোলি খেলা হবে সরকার গঠনের পর, ৪ তারিখের পর।”
advertisement
এরপরেই তৃণমূল কে নিশানা করেন নিতিন, তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের গুণ্ডা তথাকথিত কর্মী যারা ভয়ের সরকার চালাচ্ছে সেই ভয় থেকে মানুষ বেরিয়ে আসতে চায় । আর সেই ভয় থেকে বেরোনোর একমাত্র ভরসা বিজেপি । সোনার বাংলা তৈরি করবে বিজেপি।”
তিনি আরও বলেন, “যে সরকার মা মাটি মানুষ-এর নামে সরকারে এসেছিল সেই জনগণই সকলে ভয়ে আছে এখন । এখানের মাটি অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের হয়ে গিয়েছে । ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তন হয়েছে এই রাজ্যে। কাটমানি সকল ক্ষেত্রে আছে এখানে । বালী মাটি সব ক্ষেত্রে কাটমানি এখানে। কাট মানির সরকার থেকে মুক্তি চায় মানুষ।”
রাজ্যে শিল্প নেই বলে বিরোধীদের অনেক দিন ধরেই অভিযোগ। বুধবার সেই বিষয়েই ফের প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি নারী সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” শিল্প নেই এ রাজ্যে । শিল্পপতি রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে । মা বোনেরা সুরক্ষা চায় এ রাজ্যে । ভয়ের বাতাবরণ ছেড়ে মানুষ মুক্তি চাইছে এখন । বিজেপি পারবে পরিবর্তন করতে । বাংলার মানুষ আমাদের ভরসা করে । বাংলার মানুষের ভরসা বিজেপি রাখবে । মা বোনেদের সম্মান এরাজ্যে আসবে বিজেপির সরকার তৈরি হলে । বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করবে বিজেপি । পাকা ঘর তৈরি করবে বিজেপি । বাংলার নির্মম সরকারের থেকে এ রাজ্যের মানুষ মুক্তি চায়।”
দলীয় কর্মীদের বার্তা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে ঠিক সেভাবেই কাজ করুন । ঠিক যেভাবে অর্জুন পাখির চোখ লক্ষ্য করে তীর বিদ্ধ করেছিল সেভাবেই নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করুন ।”
এরপরেই তিনি দেশের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দেশের সুরক্ষা সুনিশ্চিত নেই শুধু এ রাজ্যের জন্য । বর্ডারের জমি দেওয়ার জন্য এ রাজ্যের সরকার জমি দেয় না । বাংলাদেশিদের জন্য এ রাজ্যের জমি দেয় সরকার আর অনুপ্রবেশকারী আটকানোর জন্য বর্ডারের জমি দেয় না সরকার । এস আই আর রুখতে কোর্টে গেছিলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী । কিন্তু ধর্ষিতা বোনের জন্য কোর্টে যায়নি সরকার , নিজের কর্মচারীদের ডিএ মেটানোর জন্য যায়নি কোর্টে সরকার । মানুষ আক্রোশে আছে এই সরকারের বিরুদ্ধে।”
