বুধবার ভবানীপুর নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশন জানায়, ‘সরকারি আধিকারিক যে কেউ রিটার্নিং অফিসার হতে পারেন। এটা কার লোক এইভাবে আমরা দেখি না।’ কমিশন মনে করলে যে কাউকে ভোটের কাজের জন্য ডাকতে পারেন। উপাচার্য পর্যন্ত ডাকতে পারেন। আরামবাগের ঘটনায় জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার দেখে নিচ্ছেন। তবে চাকরিহারা কোনও ভাবেই ভোটের কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে কমিশন।
advertisement
মঙ্গলবার ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়ের নিয়োগ নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। তৃণমূলনেত্রী মমতা স্বয়ং এ নিয়ে কমিশনকে নিশানা করেন। তার পরেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি চিঠি পাঠানো হয়েছে দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে। সঙ্গে ওই চিঠির প্রতিলিপি দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ আগরওয়ালকেও।
কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৩২ লক্ষ অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। তার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ডিলিটেড ক্যাটাগরিতে রয়েছে। সোমবার রাতেই ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় নাম ছিল মমতা-শুভেন্দুর বিধানসভা ভবানীপুরেরও।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
