গতকাল অসম পুলিশ ও এনআইএ যৌথ অভিযান চালিয়ে দেশদ্রোহিতার জন্য ৯ জন পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে প্রচুর ভারত বিরোধী নথি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করেছে এনআইএ-র। তার পরেই আজ সারা ভারত জুড়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি মোট ২০ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। তিলজলার এই আবাসনের চতুর্থ তলে ভাড়া নিয়ে ওই সংগঠন একটি অফিস করেছে। ওই অফিস বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
advertisement
আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর আবহে বাংলায় অমিত শাহ, উদ্বোধনের লড়াইতেও এবার বিজেপি! তুমুল শোরগোল
মহম্মদ আনোয়ার ওই একই তলার বাসিন্দা। তিনি বলেন, 'ওই অফিস সারাদিন বন্ধ থাকত। মৌলবী, ইমামরা আসত। সঙ্গে মাথায় টুপি পরে বেশ কিছু যুবক আসত। ওরা কী করত, আমরা জানি না। কোনওদিন ওদের নাম জিজ্ঞাসা করিনি। কারণ ওদের অফিসের দরজা সবসময় ভেতর থেকে লাগানো থাকত।'
আরও পড়ুন: এনআইএ-ইডি'র যৌথ হানা কলকাতা সহ গোটা দেশে, নিশানায় পিএফআই! তোলপাড়
এই PFI সংগঠন ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠনের সঙ্গে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের। আগে নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ফ্রন্ট(NDF)। ইদানিং কালে কর্ণাটক ও কেরালায় এরা হিংসার মধ্যে জড়িয়ে পড়ছিল। সেই হিংসায় এই সংগঠন বোম পাউডার, ধারাল অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছিল বলে অভিযোগ। এই অফিসে দশটার সময় চলে আসে অফিসের কর্মীরা। তারপর সারা দিন ধরে দরজা লাগিয়ে কাজ করে। তবে গভীর রাত অবধি কাজ চলে ওখানে।
এন আই এ এই মুহূর্তে তল্লাশি চালাচ্ছে ওই অফিসে। সূত্রের খবর ,বিভিন্ন কম্পিউটার ঘেঁটে তদন্তকারীরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে। সঙ্গে সন্দেহ জনক বেশ কিছু জিনিস উদ্ধার করেছে। পিএফআই-এর বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানো ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এই মুহূর্তে ওই অফিসে দুজনকে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা।
