মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের দিন মহম্মদ সেলিম ও শমীক লাহিড়ীর সঙ্গে দেখা যায় এক তরুণীকে। নির্বাচন কমিশনের দফতরে ঢোকার সময় ওই তরুণীর পরিচয় নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। যে দলে নাকি নেতৃত্ব স্থানে যেতে গেলে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়, সেই সিপিএমেই কিনা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাজ্য সম্পাদকের সঙ্গে এক নবাগতা নেত্রী। পরে জানা যায় তার নাম আফরিন বেগম।
advertisement
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আফরিন বেগমের পরিচয়ও তুলে ধরেন সেলিম। তিনি জানান, নতুন ভোটারদের নাম তালিকাভুক্তির বিষয়টি বৈঠকে উত্থাপন করেন আফরিনই। নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি নাকি চোখে চোখ রেখে চোখা-চোখা প্রশ্ন করেছেন। সাংবাদিক বৈঠকেও ছিলেন সেলিমের পাশে। ফলে তার পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে জানার কৌতুহল বাড়ে সকলের।
আফরিন বেগম মূলত কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা অঞ্চলে সংগঠনের কাজের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ দিন এসএফআই করেই দলের কাজে সুযোগ পান। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক। বামপন্থী বিভিন্ন গণআন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমেই ধীরে ধীরে তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতি তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালে সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্মেলনের সময় নতুন রাজ্য কমিটি গঠনের পর থেকেই দলের কাজকর্মে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন আফরিন।
আরও পড়ুনঃ সূর্যকুমারের পরিবর্তে টি-২০-তেও অধিনায়ক গিল? ভারতীয় তারকা যা বললেন…
সাধারণত সিপিএমের রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেতে দীর্ঘ সময় আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে আসতে হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আফরিনের এই উত্থান অনেকের নজর কেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে আলিমুদ্দিন এর মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইল কে গেল তা নিয়ে তাডা় ভাবিত নয়, তাদের রিজার্ভ বেঞ্চে আগামীর জন্য অনেক প্লেয়ারই প্রস্তুত রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এইভাবেই আফরিনের মতো আরও নতুন মুখকে আগামী দিনে সামনে আনতে পারে সিপিআইএম।
