বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে পৌঁছোন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যায় বিশাল মিছিল। মনোনয়ন পর্বে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, কাউন্সিলর এবং মুখ্যমন্ত্রীর ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের নেতা সন্দীপ বক্সী প্রমুখ।
advertisement
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ। আপনাদের নমস্কার জানিয়ে আমি আমার নমিনেশন ফাইল করলাম। আমি চাই ২৯৪ টি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আবেদন জানাই। সরকার আমরাই গড়ব ৷ এখন চলছে চলবে। আপনারা সকলে ভাল থাকুন। এত মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। আমার কোর্টে কেস করার জন্য ২৭ লক্ষের ভোটেধিকার আছে বলে মনে করি। যারা অ্যাডজুডিকেশনে আছে তাদের ভোটেধিকার আছে। তাই আমরা আবার যাব। এটা সুপ্রিম কোর্টেরই অর্ডার ছিল ৷’’
ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত তিনবার এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। পরিসংখ্যান বলছে এই বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সুপ্রিমো বরাবরই অপ্রতিরোধ্য। এবারের নির্বাচনে ভবানীপুরের প্রার্থীর জন্য তৃণমূলের স্লোগান, ‘উন্নয়ন আজ ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। এখানকার মানুষের কাছে ‘দিদি’র জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করছেন মমতা। এবার তিনি নিজের কেন্দ্রের জন্য নমিনেশন জমা দিলেন।
