গ্রামের ৫৩ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে চরম ক্ষোভ। অভিযোগ, মোট ৭২৮ জন ভোটারের মধ্যে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল ২৩৬ জনকে। তার মধ্যে প্রায় ২০০ জনের নাম বাদ পড়েছে সংশোধিত তালিকা থেকে। কোথাও বাবা-মায়ের নাম থাকলেও ছেলের নাম নেই, কোথাও স্বামীর নাম উধাও, আবার অনেক ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী দু’জনের নামই গায়েব! এই অসঙ্গতিতেই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রাম। গ্রামবাসীদের দাবি, তাঁদের কাছে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের শংসাপত্র, পুরনো রেশন কার্ড, এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকার প্রমাণও রয়েছে। তবুও নাম বাদ যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই।
advertisement
ক্ষোভ এতটাই তীব্র যে, গ্রাম জুড়ে পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে “আগে ভোটার লিস্ট সংশোধন হোক, ততদিন কোনও রাজনৈতিক দলের প্রবেশ নিষেধ।”গ্রামবাসী কলি বিবি জানিয়েছেন, ভোটার লিস্টে নাম না উঠলে শুধু নিজেরা ভোট দেবেন না তা নয়, গ্রামের কোনও সদস্যকেই ভোট দিতে দেবেন না।
এই ইস্যুতে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অপূর্ব চৌধুরী বলেন, গ্রামবাসীদের দাবি যথেষ্ট সঙ্গত! বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শিশির ঘোষ দাবি করেন, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না! নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তিনি নিজেও গ্রামে গিয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে। তবে যত ক্ষণ না সমস্যার সমাধান হচ্ছে, তত ক্ষণ উত্তপ্ত মঙ্গলকোটের চাকদা গ্রাম।





