এদিন বিহার রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপি-কে নিশানা করে মমতার মন্তব্য, ‘‘ভোটের আগে ১০ হাজার। ভোটের পরে বুলডোজার৷ বেচারা নীতীশ কুমার৷ যেই গেছো বিজেপি-এর খপ্পরে তেমনি পড়েছ থাপ্পরে।’’
আরও পড়ুন: পাইকপাড়ায় বিস্ফোরণে উড়ল টিনের চাল! বন্ধ ক্লাব ঘরে কী চলত? উদ্ধার তাজা বোমা
গত বছরের নভেম্বরেই এনডিএ জোটের বিপুল জয়ের পরে দশম বারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করেছিলেন নীতীশ কুমার৷ তার মাস চারেক পরেই এল তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা৷ বৃহস্পতিবার একপাশে অমিত শাহ এবং অন্যপাশে বিহারের বর্তমান উপ মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সম্রাট চৌধুরিকে নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদের মনোনয়ন পত্র জমা দন নীতীশ৷
advertisement
নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার সাথে সাথে নীতীশ নতুন বিহার সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন নীতীশ৷
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে নীতীশ কুমার অত্যন্ত উৎসাহিত হয়েই বিজেপি বিরোধিতায় ইন্ডিয়া জোট তৈরি নিয়ে তৎপর হয়েছিলেন৷ এমনকি, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী জোট গঠনের লক্ষ্যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব ২০২৩ সালের এপ্রিলে কলকাতার নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বৈঠক করেছিলেন৷ এই বৈঠকে ২০২৪ সালে বিজেপিকে সরানোর লক্ষ্যে একজোট হয়ে লড়াই করার বার্তা দেওয়া হয়েছিল, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও ইগো (অহংকার) ছাড়া কাজ করার কথা বলেছিলেন।
কিন্তু, ইন্ডিয়া জোট ভোটমুখী হওয়ার আগেই ফের ‘পাল্টি’ খান নীতীশ৷ বিহারে বিজেপির হাত ধরে এনডিএ জোটের শরিক হন তিনি৷ ফের তৈরি করেন সরকার৷ বিহারের জন্য আসে স্পেশাল কেন্দ্রীয় ‘প্যাকেজ৷’ সরতে হয় তেজস্বীকে৷ ভাঙে জেডি(ইউ), আরজেডি জোট৷
তারপর ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জোটের হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নীতীশ৷ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথও নেন৷ তারপরেই ভোলবদল৷
