মমতা বলেন, ‘‘বাংলা ওদের অনেকদিনের টার্গেট। বাংলার অস্মিতা থাক ওরা চায় না। বাংলার মেধা চায় না ওরা।সব বাংলার অফিসার কে যদি নিয়ে চলে যায় তাহলে বাংলাকে দেখবে কে? এখানে ঘসিত প্রেসিডেন্সি রুল করে দিয়েছে। মোদীজীকে এই ভাবে ভোট করতে হচ্ছে। এত ভয় বাংলার মানুষকে? কিছু হলে এর পর দায়ী থাকবে বিজেপি সরকার। কারণ কমিশন ও বিজেপি এর বাইরে নয়। এরা তোতা পাখি৷ জোর পূর্বক রাষ্ট্র পতি শাসন জারি করেছে। অ্যাকশন তাই বলছে। জনগণ ওদের বিরুদ্ধে৷ সংবিধান কিছু নেই এই দেশে, কোনো আইন বলে কিছু নেই। টোটাল আইন টাকে বেলাইন করে দিয়েছে৷’’
advertisement
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘এই রাজ্য ভোট। এই রাজ্যের অফিসার নিয়ে গেলে কি করে হবে? বাইরের অফিসার সংস্কৃতি সম্প্রীতি, সাব ডিভিশন, জেলা, কিছুই চেনে না। কে দেখবে এই সব? মানুষ খাদ্য পাবে কি করে? রেশন পাবে কি করে? মানুষ না পেলে যেন আমায় না বলে। খাদ্য দফতর আধিকারিককে পর্যবেক্ষককে নিয়ে গেছে। পঞ্চায়েত ও পূর্ত দফতর থেকে আধিকারিক নিয়ে যাচ্ছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘বাংলার নির্বাচন তো হবেই, কিন্তু মোদির হাত থেকে দেশ উদ্ধার করা প্রথম প্রায়োরিটি৷’’
মমতার অভিযোগ, ‘‘পরিকল্পনা করে পাবলিক সেক্টর গুলো তুলে দিয়েছে। নির্বাচনের সময় ইলেকশন কমিশন কিছু চেঞ্জ করতে পারে। ফুড ডিপার্টমেন্ট-এর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে অবজার্ভার হিসাবে, পঞ্চায়েত ডিপার্টমেন্ট এর সচিবকে বলছে অবজার্ভার হিসাবে যেতে। Pwd এর সেক্রেটারি কেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভিন রাজ্যের অফিসার কি বাংলা কে চেনেন?’’
