প্রথমে এই বৈঠকের দিন ধার্য হয়েছিল ১২ জুন। কিন্তু সে সময়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি থাকতে পারবেন না বলে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলগুলির আলোচনায় ১২ জুনের বদলে আগামিকাল ২৩ জুন বৈঠকের দিন স্থির করা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পটনার এই বৈঠক অ-বিজেপি শক্তিগুলির লড়াইয়ের রূপরেখা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বৈঠক আয়োজনের ব্যাপারে নীতীশ কুমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেও, বিরোধীদের একজোট করার ক্ষেত্রে তৃণমূলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন– মাটির মধ্যে গর্ত করে কলা আর ডিম ভেঙে ছড়িয়ে দিলেন এক ব্যক্তি, এর পরেই ঘটল ম্যাজিক!
আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, কেসিআরের দল বিআরএস, যারা কংগ্রেসের শরিক দল নয়, তারা তৃণমূলের সঙ্গেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন জোট সংক্রান্ত আলোচনায়। আর সেই প্রেক্ষিতে লোকসভা ভোটের আগে বিরোধী শিবিরের সলতে পাকানোর ঘটনাপ্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে যে বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হবে তাতে কেন্দ্র সরকার বিরোধী শাসিত কোনও রাজ্যের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে সবাইকে একজাট হয়ে তার প্রতিবাদ করতে হবে।
সংসদে বিরোধীদের একজোট হয়ে চলতে হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতি সক্রিয়তা নিয়েও সরব হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হতে চলেছে। বৈঠকে যে সমস্ত ইস্যুকে সামনে রাখা হবে তাতে বিরোধীদের এক সুরে কথা বলতে হবে। একইসঙ্গে আগামী দিনে এই মঞ্চের তরফে বেশ কিছু কর্মসূচি নেওয়া হবে।
