এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার থেকে যানবাহনের সিএনজি গ্যাসের হাহাকার দেশজুড়ে। গৃহস্থের হেঁশেল থেকে রাস্তাঘাটে যান চলাচলেও মারাত্মক প্রভাব। এলপিজি গ্যাসের অভাবে স্কুলের মিড-ডে-মিল থেকে, হাসপাতাল, বিভিন্ন কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন, ছোট-বড় রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন মন্দিরের রান্নাবান্নায় কাটছাঁট করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পে তেল-গ্যাসের জন্য লম্বা লাইন অটো-গাড়ির।
advertisement
টানা পাঁচদিন ধরনার পর, এবার ফের রাজপথে মমতা ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি জানান, সামাজিক গৃহস্থ ঘর, আইসিডিএস, হোস্টেল, মিড-ডে মিল, স্বাস্থ্য-সহ একাধিক খাতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে গ্যাস সঙ্কটের। পরিস্থিতি বিচারে, সেই কারণেই বুধে বৈঠকে বসেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক একটা প্যানিক তৈরি হয়েছে। সেই কারণে মানুষ ভাবছে আমার একটা গ্যাস আছে, যদি ফুরিয়ে যায়, তাহলে একটা গ্যাস পেতে ২৫ দিন লাগবে, এটা চিন্তার বিষয়। এখনও তেল-ডিজেলের সমস্যা হয়নি, এখন সমস্যা গ্যাসের।’ এর আগে কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করেছিল তৃণমূল, যেখানে কালো পোশাকে হাতা-খুন্তি বাজিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার রাজনীতিতে গৃহস্থালির সমস্যাগুলি প্রায়ই বড় নির্বাচনী ইস্যু হয়ে ওঠে। রান্নার গ্যাসের সঙ্কটকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছেন, তা ভোটের আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত কৌশলগতভাবে এই বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেটিকেই নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে ভোট প্রচারের পরে প্রথম প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস ।
