রোজ এই স্টেশন দিয়ে অন্তত ৬০ জোড়া এক্সপ্রেস, যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল করে।ফাইভ–স্টার হোটেলের ঘরের মতো ভোল বদলে গিয়েছে ওয়েটিং লাউঞ্জের। এন্ট্রি, এগজি়ট দেখে মনে হবে যেন কোনও এয়ারপোর্ট। বিভিন্ন ধরনের আলোকসজ্জা, মার্বেল ও টাইলস–এর ছোঁয়ায় অন্যদের টেক্কা দিয়েছে এই স্টেশন। এস্কেলেটর, লিফট চালু হয়েছে। রয়েছে ফুটওভার ব্রিজ এবং আধুনিক পার্কিং জোনের সুবিধে। বিশেষ শারীরিক চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন : ভারতের ভোটে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ আমেরিকার! কে পায় সেই টাকা? তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল
যাত্রী সফরে লক্ষ্মীলাভও হয়েছে মালদহ টাউন স্টেশনের ৷ এর মূল কারণ, গত বছরের গোড়া থেকে শুরু হওয়া মালদহ টাউন-বেঙ্গালুরু-মালদহ টাউন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ৷ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে এই ট্রেনের উপযোগিতা বুঝতে পেরেছে রেল কর্তৃপক্ষ ৷ অমৃত ভারত এক্সপ্রেস যে মালদা টাউন স্টেশনের লক্ষ্মীর ভান্ডার হয়ে উঠতে চলেছে, তা প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন মালদহ ডিভিশনের আধিকারিকরা ৷ পরবর্তী সময়ে মালদা থেকে দিল্লিগামী ফরাক্কা এক্সপ্রেস বালুরঘাট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ায় কিছুটা চিন্তায় ছিলেন তাঁরা ৷ ওই ট্রেনটি বর্তমানে বালুরঘাট থেকে ভাতিণ্ডা পর্যন্ত যাতায়াত করে ৷ কিন্তু তাতেও ওই ট্রেনের পুরনো আয়ে কোনও ভাটা পড়েনি বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা ৷ তাঁদের দাবি, ফরাক্কা এক্সপ্রেসের আয় কমে যাওয়া তো দূরের কথা, বরং বেড়েছে ৷ ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হল রেল।
