মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার দিন জয়ের দিন কাছে এল নাকি চ্যালেঞ্জ বাড়ল? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আজ মিছিল থেকে কী বললেন কুণাল ঘোষ? তাঁর কথায়, “মাথার উপর মমতা দি অভিষেক, এখানে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যােপাধ্যায় বিদায়ী বিধায়ক রয়েছেন। গার্ডিয়ান আমাকে গাইড করছেন আমার কোনও চিন্তা নেই।”
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয়ে মন্তব্য করেন কুণাল ঘোষ।
advertisement
১.) নলহাটিতে এসআইআর-এ নাম নথিভুক্ত হয়নি বলে আত্মহত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, “আপনারা কেউ জীবন শেষ করে দেবেন না। লড়াই চলছে চলবে, আপনি ভোটার তালিকায় ফিরে আসবেন।”
২.) বিজেপির তারকা লিস্টে বহিরাগতদের নাম প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, “বিজেপি যাদের আনছেন তাদের বাংলার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।”
৩.) প্রধানমন্ত্রীর বাংলা জেতার বার্তা প্রসঙ্গে কুণালের কটাক্ষ, “সমস্ত ভোটে ভোকাল টনিক দেবেন নরেন্দ্র মোদি। নিজের মাতৃভাষা বলতে পারেন না টিপি ছাড়া। লিখে দেওয়া স্ক্রিপ্ট দেখে পড়েন। এবার বিজপির লোকেরা, যাঁদের আত্মসম্মান আছে তাঁরাও তৃণমূলকে ভোট দেবে।”
৪.) গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলেন বাংলা অস্মিতা, অনুপ্রবেশের মতো বিষয়গুলি উত্থাপন করেন তাঁর কোচবিহারের সভায়, সেই প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল নেতার পাল্টা তোপ, “উনি এখানে এসে এক কথা বলেন আর ওঁর দফতর বাংলাকে অন্য কথা বলে।”
৫) পশ্চিম বেহালায় রত্না চট্টোপাধ্যায়ের নামে এফআইআর প্রসঙ্গে কুণালের দাবি, “আমরা এখানে নন ইস্যু তৈরি করতে দেব না৷ আমার পোস্টারের ওপর পোস্টার মেরে দিয়ে গিয়েছে। আমদের কর্মীরা মনে করলে যারা পোস্টার মেরেছে তাদের ‘মিষ্টি মুখ’ করানো যেত। কিন্তু কেন করব। বিজেপি সব নাটক করছেন।”
৬) অন্যদিকে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে টেকশিয়ান স্টুডিওর কর্মবিরতি প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন কুণাল। তিনি বলেন, “আমি রাহুলকে পছন্দ করতাম। তাঁর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। তার তদন্ত হোক। এর তদন্ত হওয়া উচিত। তবে ঝুঁকি ঝুঁকি করে যাঁরা লাফাচ্ছেন তাদের তাহলে স্টান্টম্যানদের বন্ধ করা উচিত। তাদের তো জেনে শুনে ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। ওরাই তো বেশি ঝু্ঁকি নেয়। তৃণমূলের কোনও যোগ নেই এখানে। বিজেপি ও সিপিএম- এর কয়েকজন লোক এটাকে রাজনৈতিক রঙ লাগাতে চাইছে।
