একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এদিন বলেন, “অ্যাডজুডিকেশন সমস্ত ভোটারের নাম অভিযোগ নিষ্পত্তির পর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় তুলতে হবে।”
একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানান, বিচারকদের দেওয়া কারণ-সহ সব কিছু খতিয়ে দেখে নিজেদের প্রক্রিয়া তৈরি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ট্রাইবুনাল।
এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালের একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে তিন জন প্রাক্তন সিনিয়র প্রধান বিচারপতি বা বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ঠিক করবে, যা ১৯টি ট্রাইবুনালকেই বাধ্যতামূলক ভাবে অনুসরণ করতে হবে। আদালত আশা করছে এই কমিটি আগামীকালের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি নির্ধারণ করবে। যাতে আপিলগুলির নিষ্পত্তি দ্রুত করা যায়।
advertisement
প্রসঙ্গত, ভারতীয় সংবিধানের মূল পান্ডুলিপি অলঙ্করণ করেছিলেন। ছিলেন খোদ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের শিষ্য। ভারতের চিত্রশিল্পের ইতিহাসে অন্যতম নাম তিনি। সেই নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন ও তাঁর স্ত্রী দীপা সেনের নাম বাদ। প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরও তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় না ওঠায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই প্রবীণ দম্পতি।
জানা গিয়েছে, ৮৮ বছর বয়সি সুপ্রবুদ্ধ সেন ও ৮২ বছর বয়সি দীপা সেনের নাম প্রথমে ‘বিচারাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শুনানিতে হাজির হয়ে তাঁরা প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেন। সেই নথির মধ্যে ছিল বিশ্বভারতী-র পাঠভবন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাগত শংসাপত্র, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত দলিল, চাকরিজীবনের নথি ও পেনশন স্লিপ। তবুও চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
