সবচেয়ে বেশি ভোটার ডিলিটেড হয়েছে মুর্শিদাবাদে৷ সবচেয়ে কম ভোটার বাদ পড়েছে ঝাড়গ্রামে৷ মুর্শিদাবাদে, ১১০১১৪৫৪ সংখ্যক ভোটার বিচারাধীন এবং ৪৫৫১৩৭ সংখ্যক ভোটার ডিলিটেড৷ জানা গিয়েছে, ৫৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫১২ জনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি ২২ হাজার ১৬৩ জন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও সেগুলিতে ই-স্বাক্ষর হয়নি। ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বাদ পড়া নামের তালিকায় আরও কিছু নাম যুক্ত হতে পারে।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ থেকে নাম ‘ডিলিট’ হয়েছে? আমজনতার জন্য বড় ঘোষণা করে দিল কমিশন
রাজ্যের ১০ জেলা বাদে বাকি সব জেলায় আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে থাকা অভিযোগের নিষ্পত্তি করলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ টি অভিযোগের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৫৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫১২টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করে ফেলেছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এরমধ্যে বৈধ ভোটার পেয়েছেন ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনকে। অবৈধ ভোটার পেয়েছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনকে। অর্থাৎ এই ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য। উল্লেখযোগ্য ভাবে নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা,কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান জেলাতে। সংখ্যার দিক থেকে সবথেকে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়।
আরও পড়ুন: মমতার হুঁশিয়ারি, মুহূর্তেই বদলে গেলেন মনিরুল! মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন বিদায়ী বিধায়ক? কী জানালেন
আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকেই সব থেকে বেশি অভিযোগের সংখ্যা ছিল। এই জেলাতেই অবৈধ ভোটার জুডিশিয়াল অফিসাররা পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনকে এখনও পর্যন্ত। শতাংশের হিসেবে নদিয়া জেলাতে সব থেকে বেশি অবৈধ ভোটার পেয়েছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নদিয়া জেলায় এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৯৪০ টি অভিযোগের নিষ্পত্তি জুডিশিয়াল অফিসাররা করেছেন। যার মধ্যে ২ লক্ষ ৮ হাজার ৬২৬ টি ভোটারের নথিকে তারা অবৈধ বলেই চিহ্নিত করেছেন।
অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তিন লক্ষ ২৫ হাজার ৬৬৬ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ২ লক্ষ ২২ হাজার ৯২৯ জনকে অবৈধ ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। পূর্ব বর্ধমান জেলাতে ও ২ লক্ষেরও বেশি ভোটারকে অবৈধ বলে চিহ্নিত করেছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। কোচবিহার জেলাতে ৪৫% এরও বেশি আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে থাকা ভোটারের নথি অবৈধ বলে চিহ্নিত হয়েছে।
