এই খবর পাওয়া মাত্রই পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিউটিরত লেডি কনস্টেবল পুনম ঘিসিং কোনও রকম বিলম্ব না করে অসুস্থ ছাত্রীকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরাও। দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
advertisement
চিকিৎসকেরা জানান, প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং সে পরীক্ষা দেওয়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। এই আশ্বাস মিলতেই আর এক মুহূর্ত নষ্ট না করে পুনম ঘিসিং ছাত্রীর সঙ্গে আবার পরীক্ষাকেন্দ্রে ফিরে আসেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ওই ছাত্রী ফের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে বাকি পরীক্ষা সম্পূর্ণ করে।
মাধ্যমিক পরীক্ষার মতো এক গুরুত্বপূর্ণ দিনে পুলিশের এই মানবিক ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে অভিভাবক ও পরীক্ষাকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের। একটি অপ্রত্যাশিত অসুস্থতা যেন একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে থামিয়ে না দেয়—এই বার্তাই আরও একবার সামনে এল এই ঘটনার মাধ্যমে।
