একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশ স্বচ্ছতার সঙ্গেই এই ঘটনার তদন্ত করছে৷ তার পরেও যদি মৃতার পরিবার মনে করে যে অন্য কোনও এজেন্সি দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত, সেক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশের কোনও আপত্তি নেই৷
আরও পড়ুন: হেলমেট, ছেঁড়া হেডফোনের তার! আর জি কর কাণ্ডে কীভাবে অপরাধীর খোঁজ পেল পুলিশ?
advertisement
গতকাল রাতেই আর জি কর কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতাল চত্বর থেকেই সঞ্জয় রায় নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ৷ বিনীত গোয়েল দাবি করেছেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তরুণী চিকিৎসককে যৌন নির্যাতন করে হত্যার জোরাল প্রমাণ মিলেছে৷ পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ নগরপাল জানিয়েছেন, তদন্ত প্রক্রিয়া একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে৷ ধৃতকে জেরা করে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে৷ কেন সে এমন নৃশংস অপরাধ করল, তাও জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন নগরপাল৷
যদিও ধৃতের পেশা বা পরিচয় সম্পর্কে বিশদে কিছু বলতে চাননি কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তা৷ তিনি শুধু বলেন, ‘ধৃত আমাদের কাছে একজন বড় মাপের অপরাধী৷ যে এমন ঘৃন্য অপরাধ করে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য৷ আমরা সেটা দেখব৷’ পাশাপাশি এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন নগরপাল৷ ধৃতের বিরুদ্ধে খুন এবং ধর্ষণের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷
