পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে ৪/৫১ কনভেন্ট লেনের বাসিন্দা রাজকুমার রাজবংশীর স্ত্রী কাজল কুমারী দেবী তাঁর তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে ওই নির্মীয়মাণ জি+৩ (চার তলা) ভবনের ছাদে গিয়েছিলেন শুকোতে দেওয়া জামাকাপড় তুলতে। কাজ শেষে মা ছেলেকে নিচে নামতে বলেন। কিন্তু কাজল দেবী নিচে নেমে এসে দেখেন ছেলে পাশে নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরও প্রীতমের হদিস না মেলায় আতঙ্কিত পরিবার এন্টালি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
advertisement
অভিযোগ পেয়েই পুলিশ এলাকায় তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশিতে ওই বাড়ির এক তলার লিফট ডাক্টের (Lift Duct) ভেতর অচৈতন্য অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত উদ্ধার করে তাকে এনআরএস (NRS) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রশ্ন উঠছে, পর পর তৈরি হচ্ছে বিল্ডিং। পারমিশন আছে কি? চার তলা বাড়িতে লিফটের পারমিশন কি আছে?
কাজল কুমারী : (মৃত ছেলেটির মা): কাপড় শুকোতে গিয়েছিলাম৷ কী করে হল জানি না।
সুধা মায়া দেবী: (মৃত ছেলেটির ঠাকুমা): বাড়িওয়ালা বলেছেন সাংবাদিকদের কিছু না বলতে। বললে ছেলে এবং বৌকে জেলে দেওয়া হবে৷ মৃত শিশুর দেহ দেব না। শাস্তি চাই।
অমল মল্লিক: (উদ্ধারকারী): রাত ৮ টায় আমি দেখি বাচ্চাটা জলের তলায় পড়ে আছে। আমি তুলে বাড়ির লোককে হাতে দিলাম। প্রায় ২ বছর ধরে নির্মাণ চলছে৷
