পুলিশ সূত্রের খবর, এসেন্সিয়াল কমোডিটি ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করবে কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ৷ এলপিজি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছে ইবি কর্তারা৷ সরকারি গাইড লাইন ও এসওপি লঙ্ঘনের অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে৷
advertisement
ইবি সূত্রে খবর, কালোবাজারি করতে মাত্রাতিরিক্ত সিলিন্ডার মজুত রাখা এবং ধরা পড়লে তৎক্ষণাৎ মামলা রুজু করা হবে৷ ডেলিভারি বয়দেরও সতর্ক করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ইবি কর্তাদের পক্ষ থেকে৷ চড়া দামে গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ এলে বা তেলও ডেলিভারি বয় ধরা পড়েন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও মামলা রুজু করে তদন্ত হবে৷
নজরদারি চলবে বিভিন্ন ফুড স্টল, ছোট মাঝারি হোটেলে। বাণিজ্যিক সিলিন্ডার অসাধু উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত স্টক করে রাখলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ অভিযানে দেখা হবে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে লুকিয়ে ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে কি না? বিভিন্ন ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটারের স্টকও নজরে রাখা হবে বলেই জানিয়েছে কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ৷
প্রসঙ্গত, দেশে কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে দেশীয় এলপিজি যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে এবং রান্নার গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, ‘‘রিফাইনারিগুলির সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে ১০০%-এরও বেশি। পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, এটিএফ বা ফুয়েল অয়েলের কোনও ঘাটতি নেই। পেট্রল, ডিজেল, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ), কেরোসিন এবং ফুয়েল অয়েলের সম্পূর্ণ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। নন-হরমুজ সোর্সিং থেকে অপরিশোধিত আমদানি প্রায় ৭০%-তে পৌঁছেছে, যা সংঘাতের আগে ছিল ৫৫%’’৷
