স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পাওনাদাররা তার বাড়িতে আসত টাকা চাওয়ার জন্য, সেই কারণে অবসাদে ভুগছিলেন সোমনাথ। অন্যদিকে, স্ত্রীর বাপের বাড়ির অভিযোগ, সোমনাথের মামা অর্থাৎ সুমিত্রার মামাশ্বশুর তাদের ওপরে অত্যাচার করত, ছিল পারিবারিক সম্পত্তিগত বিবাদও। সাম্প্রতি ট্যাক্সের বিল জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলাও হয় নিজেদের মধ্যে, দাবি প্রতিবেশীদের।
advertisement
সোমনাথ রায়ের মামা, মামী এবং মাসিকে ইতিমধ্যেই আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কসবা থানায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমনাথ রায়ের দিদা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের যে পেনশন দেওয়া হয়, সেই পেনশন পেতেন। এখনও সেই পেনশনের টাকা পান প্রতি মাসে। এই নিয়েও মামাদের সঙ্গে বিবাদ চলত দীর্ঘদিন ধরে।
আরও পড়ুনঃ মাখনের মতো গলগলিয়ে গলবে মেদ! রোজ সকালে খান ‘এই’ সাদা নরম খাবার, পয়লা বৈশাখের আগে চাবুক ফিগার
পাশাপাশি, মৃতের মামা ট্রাফিক পুলিশের কর্মরত ছিল, এখন অবসরপ্রাপ্ত। তিন জনকেই কসবা থানার পুলিশ আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গিয়েছে কসবা থানায়। সোমনাথ রায় আত্মহত্যা করার আগে দেওয়ালে লিখে গিয়েছেন, তাঁর মৃত্যুর জন্য মামা এবং মামী দায়ী। তবে কেন তারা মামা বাড়িতে থাকতেন, পরিবারে আর কে কে রয়েছেন, জানতে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনিয়নের কাছ থেকে আট হাজার টাকার লোন নিয়েছিল সোমনাথ রায়। সেই টাকা সোমবার রাতে শোধ করে দেন। আরও একজনের কাছে ১০,০০০ টাকা তিনি নিয়েছিলেন, সেই টাকাও তিনি শোধ করেন। তার সহকর্মী জানান, দীর্ঘদিন ধরে মামা-মামী অত্যাচার করত, এমন কথা তিনি জানাতেন তাঁদের।
