কলকাতা: কসবা কাণ্ডে ঘটনার ২ দিন আগেই পরিকল্পনা করে ফেলেছিল মনোজিৎ। তরুণী ছাত্রী ফর্ম ফিল আপ করতে এলেই তাকে নানা অছিলায় ইউনিয়ন রুমে আটকে রাখার জন্য জইব ও প্রমিতকে নির্দেশ দিয়েছিল মনোজিৎ। প্রথমে সহবাস করার জন্য বলা হবে, রাজি না হলে গার্ডরুমে ধর্ষণ করা হবে ছাত্রীকে। এমনই পৈশাচিক পরিকল্পনা ছিল মনোজিতের।
advertisement
সন্ধ্যা পর্যন্ত ইউনিয়ন রুমে তরুণীকে আটকে রাখার নির্দেশ সঠিকভাবে পালন করলে কলেজের ইউনিয়নের বড় পোস্ট দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয় জাইব ও প্রমিতকে। এদিকে, নির্যাতিতার সঙ্গে আবারও ঘনিষ্ঠ হতেই কি ভিডিও করে রাখার পরিকল্পনা? ধৃত দুই অভিযুক্তর বয়ান ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।
দাদা’-র কথাতেই সব করেছি। মনোজিৎ মিশ্রের নির্দেশেই কাজ করেছেন দুই অভিযুক্ত প্রমিত ও জইব। পুলিশি জেরায় এমনই দাবি দুই অভিযুক্তের। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় দুই অভিযুক্ত জানিয়েছেন, ঘটনার দিন যা যা করেছেন সবটাই ‘দাদা’-র নির্দেশে ও ‘দাদা’-র কথা রাখতেই।
মনোজিতের নির্দেশেই ভিডিও তোলা হয়েছিল। ব্ল্যাকমেইল করার পরিকল্পনা ছিল মনোজিতের। তাই ভিডিও তুলে রাখতে বলেছিল, জেরায় জানাল জইব ও প্রমিত। ব্ল্যাকমেইল করে আবারও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ নিতেই ভিডিও বানাতে বলেছিলেন মনোজিৎ। জেরায় জানায় জইব ও প্রমিত। তবে সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ মনে করছে ঘটনার পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। কারণ ঘটনাপ্রবাহ দেখে এখনও পর্যন্ত পুলিশের মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত ভাবেই করা হয়েছে।
