আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। আশেপাশে একাধিক দোকান থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হয়। মুহূর্তে লেলিহান শিখা গ্রাস করে একের পর এক দোকান। পরপর পরপর ১০ থেকে ১২ টি দোকানে আগুন লাগে।
advertisement
সূত্রের খবর, আগুন প্রথমে জঞ্জালের স্তূপে লাগে। তারপর আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা দোকানগুলিতে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে নাম দমকলের পাঁচ-পাঁচটি ইঞ্জিন ও রাজারহাট থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন আয়ত্বে আসে।
প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগেই এই রাজারহাটের আগুনে পুড়ে ছারখার একের পর এক দোকান। সে বারেও মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন লেগে যায় গৌরাঙ্গ নগর বাজার এলাকার দোকানে। যার জেরে পুড়ে ছাই হয়ে যায় কমপক্ষে ১৪-১৫টি দোকান। স্বভাবতই মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। এক মাস যেতে না যেতেই ফের আগুন রাজারহাটে। এবার আগুন লাগল রাইগাছি ছোট পোলের কাছের দোকানে। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল? তাই নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
