জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতাদির সঙ্গে সেদিন কী দুর্ব্যবহার উনি করেছেন আপানারা ভাবতে পারবেন না৷ আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলছেন৷ আপনি যদি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার না হতেন আঙুলটা কেটে বাদ দিয়ে আসতাম৷ কাকে আঙুল তুলে কথা বলছ তুমি, কাকে লাল চোখ দেখাচ্ছো? তিন বছর পর তুমি কোথায় থাকবে কেউ খুঁজে পাবে না৷ কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন বেঁচে থাকবেন হয় মুখ্যমন্ত্রী নয় প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকবেন৷
advertisement
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, আপনি এসেছেন অমিত শাহের দয়ায়৷ এক-দেড় বছর ধরে নির্বাচন কমিশনে এসেছেন৷ আপনি কো অপারেটিভ কমিটির সচিব ছিলেন৷ আপনার জ্ঞান কতদূর আমার জানা আছে৷ আপনি অমিত শাহের কথায় চলছেন৷ এরকম দাম্ভিক লোক দেখিনি যিনি এ ভাবে সাংবিধানিক পদ আঁকড়ে বসে আছেন৷ টি এন সেশন এসেছিলেন বলে মানুষ জানতে পেরেছিলেন দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলে একটা পদ আছে৷ আর উনি আসার পরে কেউ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদটার কথা বলছেন না, শুধু ওনার নামটাই বলছেন৷
একই সঙ্গে বিচারাধীন ভোটারদের নথি যাচাইয়ের কাজে অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের কাজে লাগানোর দাবি জানিয়েছেন কল্যাণ৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে প্রায় দশ দিন কেটে গেলেও কেন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হল না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রায় এক কোটি মানুষের অধিকার নির্বাচন কমিশন নষ্ট করে দিয়েছে৷ মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন৷ ভোটার লিস্টে নাম না থাকায় শয়ে শয়ে মানুষ আত্মহত্যা করেছেন৷ কেন এর পরেও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি কেন অবসরপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করছেন না৷’
