পূর্ব রেলওয়ের আসানসোল ও মালদহ ডিভিশন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনাল মিটিংয়ে বর্ধমান–দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কীর্তি আজাদ যে একাধিক যাত্রীস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এজেন্ডা উপস্থাপন করেছিলেন, তার মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা ইতিমধ্যেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে।
এই সংক্রান্ত একটি অফিসিয়াল অর্ডার ভারত সরকার, রেল মন্ত্রক ও রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে। উক্ত সিদ্ধান্তগুলি রেল যাত্রীদের, বিশেষ করে নিত্যযাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আসানসোল ও মালদহ ডিভিশন সংক্রান্ত এই এজেন্ডাগুলি কীর্তি আজাদ গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর ইস্টার্ন রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ কুমার দেউস্করের কাছে অফিসিয়ালভাবে উপস্থাপন করেছিলেন।
advertisement
গৃহীত এজেন্ডাগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, বিভিন্ন এক্সপ্রেস ট্রেনের নির্দিষ্ট কিছু স্টেশনে নতুন স্টপেজ চালুর দাবি। রেল বোর্ড যে স্টপেজগুলিকে অনুমোদন করেছে, সেগুলি হল–
১৩৪৬৫ / ১৩৪৬৬ হাওড়া–মালদহ টাউন এক্সপ্রেস (কাটোয়া হয়ে) — মনিগ্রাম স্টেশনে স্টপেজ
১৩০৬৩ / ১৩০৬৪ হাওড়া–বালুরঘাট এক্সপ্রেস (কাটোয়া হয়ে) — জঙ্গিপুর রোড স্টেশনে স্টপেজ
১৫৬৪৩ / ১৫৬৪৪ পুরী–কামাখ্যা এক্সপ্রেস (কাটোয়া হয়ে) — জঙ্গিপুর রোড স্টেশনে স্টপেজ।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ যাত্রী, নিত্যযাত্রী, ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষজনের যাতায়াত আরও সহজ ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কীর্তি আজাদ জানিয়েছেন, নিত্যযাত্রীদের সমস্যা তাঁর কাছে পৌঁছালে তা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে এবং দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি সর্বতোভাবে উদ্যোগী হবেন।
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের সুবিধার জন্য তারা এই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
