১. ৩৪৭১২ শিয়ালদহ – লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ০৮:১৫-এর ট্রেনটি নামখানা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
২. ৩৪৭১৬ শিয়ালদহ – লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ১১:০২-এর ট্রেনটি নামখানা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
৩. ৩৪৭১৮ শিয়ালদহ – লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ১২:৫০-এর ট্রেনটি নামখানা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
advertisement
৪. ৩৪৭১৪ শিয়ালদহ – লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ১৫:৫০-এর ট্রেনটি নামখানা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
এই সক্রিয় পদক্ষেপটি শিয়ালদহ ডিভিশনের একটি ব্যাপক কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিকল্পনা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একটি ঝামেলামুক্ত তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতা প্রদান করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং মসৃণ চলাচল নিশ্চিত করতে, মেলার সর্বোচ্চ চাহিদা মেটাতে রিয়েল টাইম ভিত্তিতে ট্রেন পরিষেবার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ লাইন কমাতে, ডিভিশন অতিরিক্ত ফিজিক্যাল কাউন্টারের পাশাপাশি এম-ইউটিএস (M-UTS)-এর মাধ্যমে টিকিট কাটাকে উৎসাহিত করছে। তীর্থযাত্রীদের ভিড় সামলানোর জন্য বিশেষ হোল্ডিং এরিয়া তৈরি করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যানজট এড়াতে প্রবেশ পথগুলিতে ডেডিকেটেড আরপিএফ এবং বাণিজ্যিক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। একটি ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। মেলা জুড়ে উচ্চমানের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য শিয়ালদহ, নামখানা এবং কাকদ্বীপ স্টেশনে অতিরিক্ত স্যানিটেশন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিআরএম শিয়ালদহ শ্রী রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন যে, তীর্থযাত্রীদের কল্যাণের জন্য তাদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে সমন্বিত হেল্প ডেস্ক, মেডিক্যাল বুথ এবং পানীয় জলের সুবিধা কৌশলগতভাবে স্থাপন করা হয়েছে। শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিটি তীর্থযাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা পবিত্র স্নানের যাত্রাকে যতটা সম্ভব আধ্যাত্মিক ও চাপমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছি।
প্রয়োজনে পরিষেবা সামঞ্জস্য করার জন্য পরিস্থিতি রিয়েল-টাইমে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে দক্ষতা ও যত্নের সাথে গঙ্গাসাগর মেলার ভাবধারা বজায় থাকে।
