রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, এসআইআর ফরমে ‘লিংকেজ’ সংক্রান্ত কলামে কোনও তথ্য না থাকায় প্রাক্তন সাংসদ ও বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা স্বপন সাধন বসু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কমিশনের দাবি, এনুমারেশন ফরমেই ওই কলাম ফাঁকা ছিল, ফলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে অন্যান্য একই অবস্থানে থাকা ভোটারদের মতোই শুনানির জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। যেহেতু স্বপন সাধন বসু অসুস্থ, তাই তাঁর ক্ষেত্রে বাড়িতেই গিয়ে শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
advertisement
এখন দেখছেন স্থল? আগে এই ৫ স্থানই ছিল অথৈ সমুদ্রের তলায়! জানেন কোনগুলো?
এই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন এবং তাতে প্রশ্ন তোলেন, নোটিস জারি করে পরে কীভাবে তা অস্বীকার করা হচ্ছে। তাঁর পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়। তবে কমিশনের তরফে সেই পোস্টকে ‘মিসলিডিং’ বা বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এসআইআর শুনানিতে তলব করা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। মোহনবাগান ক্লাবের অন্যতম প্রাণপুরুষ, প্রাক্তন সাংসদ ও শিল্পপতি স্বপন সাধন বসুকে ১৯ জানুয়ারি শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে বলে কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন।
এর আগেও এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়েছে সাংসদ ও অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)-কে। তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যও নোটিস পেয়েছেন। পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামি-কেও এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়। যাদবপুরের কার্জননগর স্কুলে তাঁর শুনানি নির্ধারিত ছিল। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততার কারণে শহরে না থাকায় পরিবারের তরফে কমিশনকে জানানো হয়, আপাতত তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। দেশে ফেরার পর নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একই ধরনের ত্রুটি থাকলে সব ভোটারের ক্ষেত্রেই সমানভাবে নিয়ম প্রযোজ্য হচ্ছে। কোনও ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে আলাদা করে পদক্ষেপ করা হচ্ছে না বলেই কমিশনের দাবি।
