মমতা এদিন আলোচনায় বলেন, কেবল মাত্র সরকারি চাকরির দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না৷ বিভিন্ন বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরিও তো চাকরি৷ সেই কাজে আরও বেশি পরিমাণ মানুষ যুক্ত হবেন৷ ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান যে কেন্দ্রের তরফ থেকেই দেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকদের সামনে এ কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷
আরও পড়ুন: শান্তনুর ফোনেই সব রহস্য, এবার বড় কিছু ঘটবে! শুভেন্দুর দাবিতে পাল্টা 'আপনি কোথায় থাকবেন'?
advertisement
আরও পড়ুন: কলকাতার ৩ ক্যাফেতে ঘটেছে সেই বৈঠক, শান্তনুর সঙ্গে কোন নেতার? জেনে গেল ইডি
এ ছাড়াও এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ইকোনমিক করিডোর তৈরির বিষয়েও উল্লেখ করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘যেখানে ল্যান্ড-গুলো ইকোনমিক করিডর ও ইন্ডাস্ট্রি-এর জন্য হচ্ছে, এখন নতুন নতুন টেকনোলজি আসছে। তাই প্রতিটা জায়গায় তোমরা হোর্ডিং লাগাতে শুরু কর৷ কোথায় কোথায় ইকোনমিক করিডর আছে, সেটা উল্লেখ করতে হবে৷ এটা তোমাদের সিরিয়াসলি করতে হবে। লোক জানবে এখানে ইন্ডাস্ট্রি করিডোর হচ্ছে। এমন ফ্লেক্স টাঙাবে না যা ঝড়ে উড়ে যাবে না। রাজ্যের টাকাটা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।’’
শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ নিয়েও এ দিন নীতি স্পষ্ট করে মমতা বলেন, ‘‘ আমি জোর করে কিছু করতে চাইব না। যে গুলো সরকারের জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, সেই গুলো শিল্পের জন্য ব্যাবহার করা যেতে পারে।’’
