তাঁরা জানিয়েছেন, যতই সমস্যা হোক এই ক্যান্টিন চলবেই। আর তা নিয়ে আশাবাদী কর্মীরা। রোগীর আত্মীয়েরাও এই খাবারের ওপর নির্ভরশীল। এই ক্যান্টিন যদি বন্ধ হয় তাহলে ‘না খেতে পেয়ে মরতে হবে বলছেন’ রোগীর আত্মীয়েরা। তাঁদেরই আত্মীয়েরা বলছেন, ‘এখনও পর্যন্ত সরবরাহ ঠিক আছে। তবে আগামী দিনে কি হবে জানিনা। তবে এই ক্যান্টিন বন্ধ হবে না বলেই মনে করি।’
advertisement
এবার গ্যাসের সঙ্কট আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রোগীদের জন্য যে কিচেন, সেখানে এখনও কোনও সমস্যা নেই। তবে তবে স্টুডেন্ট হোস্টেল, নার্সিং হোস্টেল স্টুডেন্টস ক্যান্টিন সেখানে সমস্যা কিছুটা রয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত গ্যাস থাকলেও সেটা এমন নয় যে খুব বেশি। তবে তা নিয়ে বেশি নিশ্চিন্ত হওয়ার কারণ নেই। আগামী এক দু-দিন কোনও সমস্যা না থাকলেও আকাল চলতে থাকলে খুবই সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে হোস্টেলের সুপার দের পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানানো হয়েছে।
মধ্য প্রাচ্যর যুদ্ধের আঁচে গ্যাস সিলিন্ডারের অভাবে দু’দিন ধরে বন্ধ রান্না। ঐতিহ্যবাহী হিন্দু হস্টেলের রান্নাঘরে এবার পড়ল তালা। দ্বিগুণ খরচে বাইরের খাবারই তাঁদের ভরসা। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১২০ জন পড়ুয়া হিন্দু হস্টেলের আবাসিক। তাঁদের খাওয়া-দাওয়া এবার অনিশ্চয়তার মুখে। সোমবার রাতে হস্টেলের রান্নাঘরে গ্যাস ফুরিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ রান্না। দু’বেলা ১২০ জনের রান্না হয় হস্টেলে। প্রতিদিন একটি করে সিলিন্ডার লাগে আবাসিকদের রান্নার জন্য। মাসে গড়ে ২৭ থেকে ২৮টি সিলিন্ডার লাগে।
দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ১০ মার্চ সমস্ত গার্হস্থ্য গ্যাস গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জারি করেছে। প্রতিটি গৃহস্থালী গ্যাস গ্রাহককে তাদের ই-কেওয়াইসি (eKYC) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, গ্যাস ভর্তুকি এবং সরবরাহের বিবরণ সঠিকভাবে রেকর্ড করা হবে। পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাতের কারণে দেশের অনেক শহরে গ্যাস সিলিন্ডারের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় এই প্রক্রিয়াগুলি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
