অভিযোগ, সিদ্ধার্থ করণজাই নামে এক ভুয়ো পোস্টাল এজেন্টের সঙ্গে যোগসাজশ করে পোস্ট অফিসের মেয়াদোত্তীর্ণ ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙিয়ে সেই টাকা পুনঃবিনিয়োগের নামে অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। পরে প্রায় ৩.৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ভুক্তভোগী অভিজিৎ মজুমদারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু হয়। তদন্তে নকল পোস্ট অফিস পাসবই ও সার্টিফিকেট তৈরির প্রমাণও মিলেছে।
advertisement
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এর আগে ভুয়ো এজেন্ট সিদ্ধার্থ করণজাই গ্রেফতার হয়ে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, তৎকালীন পোস্টমাস্টারের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এই জালিয়াতি করা সম্ভব ছিল না। পরে যোগসাজশের সূত্র পেয়েই অভিযুক্ত প্রাক্তন পোস্ট মাস্টার দিলীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শুধু অভিজিৎ মজুমদার একা নন৷ আরও একাধিক ব্যক্তি এই জালিয়াতির শিকার৷ রিজেন্ট পার্ক ও নেতাজি নগর এলাকার অন্তত ২৫ জন বিনিয়োগকারী এই চক্রের শিকার৷ মোট প্রতারণার অঙ্ক প্রায় ৮.৫১ কোটি টাকা বলেই জানা গিয়েছে৷
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই আলিপুরে আর্থিক প্রতারণার হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার মামলায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ৷ প্রথমে আলিপুরের নিউ রোডে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এবং অফিসে হানা দিয়ে কাউকে না পেয়ে পরে আলিপুরেরই আর একটি বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা। তল্লাশি চালানো হয় বাড়িতে৷
আরও পড়ুন: ‘হাল ছেড়ো না…’ ২ বারের ব্যর্থতাকে হারিয়ে জয়! NET-এ বাংলায় প্রথম যাদবপুরের লোপামুদ্রা
ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ছ’বছর ধরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে দফায় দফায় কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে৷ প্রথমে ৭৩০ কোটি এবং পরে ২৬০ কোটি টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। মামলায় নাম জড়িয়েছে দুই ব্যবসায়ী, দুই সংস্থা এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক সরকারি কর্মচারীর।
