এই পরিস্থিতিতে বড় প্রশ্ন উঠছে—এই বিপুল সংখ্যক বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে যাঁরা নতুন করে আবেদন করবেন, তাঁরা কি মাত্র দু’দিনের মধ্যে আবেদন করে নিজেদের নাম তালিকায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন? নাকি সময়ের অভাবে তাঁরা এই দফায় কার্যত ভোটার তালিকার বাইরে থেকেই যাবেন? এই অনিশ্চয়তাই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।
advertisement
শুভেন্দুর বিতর্কিত মন্তব্য! তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে রিপোর্ট, ভিডিও ফুটেজও তলব কমিশনের
নিয়ম অনুযায়ী, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাইব্যুনাল গঠনই হয়নি, শুরু হয়নি কাজও। ফলে কবে ট্রাইব্যুনাল তৈরি হবে এবং কবে আপিলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি সম্ভব হবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এদিকে, ৬ তারিখ মনোনয়নের শেষ দিন, ওই দিনই বেরোবে ১৫২টি বিধানসভার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, খবর কমিশন সূত্রে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে ১৫২টি বিধানসভা আসনের জন্য চারটি সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট ও চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের সাব সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট ৪(এ) প্রকাশ করা হয়েছে সোমবারই। প্রথম দফার ১৫২ টি আসনের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে দেওয়া হল। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল, ওই পর্বের প্রার্থীদের মনোনয়নের শেষ দিন ৬ এপ্রিলই। তাই ওই দিনই প্রকাশিত হবে ১৫২টি আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পালা।সব মিলিয়ে, ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের।
