ওই রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, কাঠ কয়লায় ফিরে যাবে কলকাতার পুরনো রেস্তোরাঁ। মেনুও কাটছাঁট করে অনেক কমানো হয়েছে। প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে কাঠ এবং কয়লাতে যাতে রান্না করা যায়। সিরাজ কলকাতার মল্লিক বাজারের কাছে অন্যতম পুরনো রেস্তোরাঁ। শহরে ছটি চেইন রেস্তোরাঁ রয়েছে। কয়েকশোকর্মী কাজ করেন এই রেস্তোরাঁতে।
advertisement
এই রেস্তরাঁতে রান্নার জন্য বিপুল গ্যাস লাগে, বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস পাওয়া যাবে কিনা অনিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প ভাবনা এই রেস্তোরাঁর। রেস্তরাঁ জায়গা দেখা হয়েছে প্রাথমিক ভাবে, সেখানেই কাঠ এবং কয়লাতে রান্নার ব্যবস্থা হবে। ছাড়পত্রের জন্য কথা বলা হবে পুরসভা ও পরিবেশ দফতরের সঙ্গে।
সেই সঙ্গে মেনুতেও বেশ কাটছাঁট করা হয়েছে। তন্দুর মেনুতে অসুবিধা নেই, তবে গ্রেভি আইটেম বন্ধ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে বেশি জ্বালানির প্রয়োজন এমন আইটেম বাদ দেওয়া হবে মেনু থেকে। তবে রেস্তরাঁ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানান, কর্মীদের পরিবারের কথা ভেবে এখনও আউটলেটে বন্ধ করা হয়নি। তবে গ্যাসের সংকট চলতে থাকলে আউটলেট কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
শিলিগুড়ির খাদ্যপ্রেমীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ। শহরে রান্নার গ্যাসের সঙ্কট ক্রমশ বাড়তে থাকায় বিপাকে পড়েছেন হোটেল, রেস্তোরা ও ফাস্টফুড দোকানদাররা। অনেক জায়গাতেই ইতিমধ্যেই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে খাবারের তালিকা। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শহরের বহু খাবারের দোকানের ঝাঁপ পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
শহরের বিভিন্ন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের সামনে এখন লম্বা লাইন। বুকিং করা থাকলেও সময়মতো গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। ফলে শুধু ব্যবসায়ীরাই নয়, সাধারণ গৃহস্থ বাড়িতেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা— আগামী দিনে উনুন জ্বলবে কিনা তা নিয়েও চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই।
