কলকাতা: ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তিকরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম সামনে আসার ঘটনায় এবার এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। অভিযুক্ত চার আধিকারিক এবং এক কর্মীর বিরুদ্ধে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসককে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের৷ পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর।
advertisement
কমিশনের নতুন নির্দেশ, ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ডিইও-কে এফআইআর দায়ের করতে হবে। সেই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে বলেছে কমিশন।
আরও পড়ুন : কান্তি গাঙ্গুলির নামও নেই! SIR শুনানিতে ডাক প্রাক্তন মন্ত্রীকে, জমা দিতে হল নথি
এর আগে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকেও এই নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এবার নয়, এনিয়ে দু’বার পন্থকে চিঠি পাঠায় কমিশন৷ সেই নির্দেশকে নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয় রাজ্য সরকার এবং কমিশনের মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে দেবেন না তিনি। বলেন, ‘‘আমি কারও কোনও পানিশমেন্ট (শাস্তি) হতে দেব না।’’ তার পরে আর কমিশনের নির্দেশ কার্যকর হয়নি।
এবার অবশ্য সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক বা ডিইও-দের এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হল দিল্লি থেকে। দুই ইআরও এবং দুই এইআরও ছাড়াও আরও কর্মীর বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ওই কর্মী ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মেশিনে স্ক্যান করেই বলে দিচ্ছে ‘বাংলাদেশী’! ভাইরাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভিডিও, শুরু তদন্ত
বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও হিসাবে কাজ করতেন দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী এবং তথাগত মণ্ডল৷ ময়নাবিধাসভা কেন্দ্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে ছিলেন বিপ্লব সরকার ও সুদীপ্ত দাস৷ পাশাপাশি সুরজিৎ হালদার নামে এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নামও জড়়ায় এই ঘটনায়৷
ময়না এবং বারুইপুর পূর্বের ওই চার আধিকারিককে বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তাঁর ভোটার তালিকায় কারচুপি করে নাম ঢুকিয়েছে৷
