গত কাল, অর্থাৎ বৃহস্পতিবারও ভূমিকম্প অনুভব করেছিল উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলা, শুক্রবারও ভোরে মৃদু উত্তরবঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটারস্কেলে ৪.২ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়েছিল বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল আরও বেশি।
৫.৫ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়েছে শুক্রবার বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা থেকে ৯০ কিমি দূরে খুলনার কাছে ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে জানা গিয়েছে। ইউএসজিএস জানিয়েছে যে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় দুপুর ১:২২ মিনিটে ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে, অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের হিসেবে ২২.৪৫১° উত্তর এবং ৮৯.১৩৯° পূর্ব।
advertisement
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিমি গভীরে উৎসস্থল। ভূমিকম্প প্রায় ৫২ সেকেন্ড স্থায়ী বলে জানা গিয়েছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে। ভূমিকম্পের জেরে কলকাতার একটি বাড়ি নড়ে যায় বলে স্থানীয়দের দাবি। বহুতলগুলি থেকে বাসিন্দারা নীচে নেমে আসেন। দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভূমিকম্প শুরু হয় বলে খবর। নিয়মিত ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ, বৃহস্পতিবারও ভূমিকম্প হয়েছিল কলকাতায়। তবে শুধু কলকাতা নয় জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাসে ৮০০০ টাকা বেতন পেতেন, তার বাড়িতে টাকার পাহাড়! হাতে গোনা গেল না, আনতে হল মেশিন
এদিন বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অনুভূত হল ভূমিকম্পন। বাঁকুড়াতেও ভূমিকম্প হয়। আগের দিনই ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতেও ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দার্জিলিং৷ কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়৷ তবে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমে৷ ফলে গ্যাংটক, পেলিংয়ের মতো সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে কম্পনের তীব্রতা ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি৷ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালশিং-এ ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ কিলোমিটার গভীরে৷ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৫৷ যদিও খুব অল্প সময়ের জন্যই এই কম্পন অনুভব করা গিয়েছে৷
