কলকাতা: “যে সমস্ত পুজা কমিটি ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দেয়নি, তাদের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিন।” পুজো অনুদান মামলায় প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের। এই মামলায় হাইকোর্টে হলফনামা দিতে চায় রাজ্য। রাজ্যকে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চও। ২৭ অগাস্টের মধ্যে হলফনামা পেশের নির্দেশ। ওই দিনই পরবর্তী শুনানি।
advertisement
মামলাকারীর পক্ষে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ”২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর প্রথম হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, যেখানে বলা হয় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টও নির্দেশ দেয় পুলিশের মাধ্যমে এই টাকা দিতে হবে। ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, টাকা খরচের ক্ষেত্রে ইউটিলাইশেন সার্টিফিকেট দিতে হবে।
আরও পড়ুন: প্রয়াত বিজেপি নেতা-অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়! গেরুয়া শিবিরে শোকের ছায়া! কী হয়েছিল জয়ের জানেন?
সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ, ভলান্টিয়ারদের ট্রেনিং, পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সহজ সম্পর্ক তৈরি করার মতো কাজে এই টাকা খরচ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। করোনা মহামারীর সময় বলা হয় মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়ার জন্য টাকা দেওয়ার কথাও বলা হয়। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় লক্ষ্মীপুজার পরই রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে ইউটিলাইজ সার্টিফিকেট দিয়ে জানাতে হবে টাকা খরচের হিসাব।
এদিন আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, প্রত্যেক বছর পুজার আগে এই ধরনের মামলা করা হয়। পুজোর ছুটির পর মামলাটি রাখা হোক। রাজ্য হলফনামা দিলে এই সমস্ত বক্তব্য খারিজ হয়ে যাবে। এরপরই বিচারপতি সুজয় পাল মন্তব্য করেন, ”না না। পুজোর পরে মামলার শুনানি করলে মামলার উদ্দেশ্যই তো ব্যর্থ হবে! আপনি হলফনামা দিন। তারপর শুনানি হোক।”
বিচারপতি পালের আরও সংযোজন, ”যে সমস্ত পুজো কমিটি ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দেয়নি, তাদের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিন প্রয়োজনে।” ২৭ অগাস্ট এই মামলার ফের শুনানি।
