ভাস্কর ঘোষ জানান, মামলায় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবীদের নামিয়েছিল। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে ধন্যবাদ জানান তাঁদের পাশে থাকার জন্য।
আরও পড়ুনঃ বকেয়া ডিএ পরিশোধের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, রাজ্য সরকারকে নিশানা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর
advertisement
তিনি বলেন, “২৫ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা আগেও বলা হয়েছিল, কিন্তু রাজ্য সরকার মানেনি। মুখ্যমন্ত্রী যেন এবার আগুন নিয়ে না খেলেন। ভোটের মুখে যদি এই রায় মানা না হয়, তাহলে নতুন করে আন্দোলন শেখাতে হবে।” ভাস্কর ঘোষ স্পষ্ট করেন, ডিএ মৌলিক অধিকার—এ কথা তাঁরা বলেননি, কিন্তু এটি আইনস্বীকৃত ন্যায্য অধিকার।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক আরও জানান, রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে সেই কমিটি রাজ্যের আর্থিক কাঠামো নিয়ে রিপোর্ট দেবে। তাঁর দাবি, এই রায় শুধু সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয়, এর প্রভাব পড়বে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিতে, ব্যবসায়ীদের হাতেও টাকা আসবে।
তিনি বলেন, “এটা বাঙালি অস্মিতার লড়াই ছিল। সেই লড়াই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে পথে না নামলে এই রায়ের বাস্তবায়ন হবে না। তাই সবাইকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানাচ্ছি।” এসআইআর ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা কোনও ইস্যু নয়, এটা শুধুই একটি পদ্ধতি।”
ভাস্কর ঘোষ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আগামী ৬ মার্চের মধ্যে যদি প্রথম কিস্তির টাকা না মেটানো হয়, তাহলে ফের আন্দোলনের পথে নামবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তাঁর দাবি, তা রাজ্যের কর্মচারী আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করবে। পাশাপাশি, অস্থায়ী কর্মচারীদের অধিকার নিয়েও আন্দোলন চলবে বলে জানান তিনি।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ডিএ মামলার রায় ঘিরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়।
