আগাগোড়াই বাম সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিভিন্ন ইস্যুতে সিপিএমের তরুণ প্রজন্মের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীদেরও ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তিনি৷ নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে বাম কর্মী সমর্থকদের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও প্রকাশ্যেই সমর্থন জানাতে দেখা গিয়েছে রাহুল অরুণোদয়কে৷
গতকাল তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যুর পর এ দিন সকালে অভিনেতার দেহ তাঁর পল্লীশ্রীর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়৷ সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন বাম মনস্ক বহু মানুষও৷ রাহুলকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যান সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও৷ যদিও বাড়ি থেকে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রয়াত অভিনেতাকে স্থানীয় সিপিএম কার্যালয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রথমে সংশয় তৈরি হয়৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য সিপিএম কার্যালয়ের সামনে থামে রাহুলকে নিয়ে যাওয়া শববাহী শকট৷
advertisement
রবিবার রাতে দুর্ঘটনার পর থেকেই প্রয়াত অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস৷ আবার রাহুলের মরদেহ আনতে তমলুক পৌঁছে গিয়েছিলেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ৷ এ দিন সকালেই রাহুলের বাড়ির সামনে বিদায় কমরেড লেখা ছোট ব্যানারও ঝুলিয়ে দেওয়া হয়৷ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যে রাস্তা দিয়ে প্রয়াত অভিনেতাকে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়, তার দু পাশে দলের পতাকা হাতে সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষায় ছিলেন সিপিএম কর্মী, সমর্থকরাও৷ শববাহী শকটের সামনেও সিপিএমের পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়৷
সিপিএমের পাশাপাশি ফুটবলে মনেপ্রাণে আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলেন রাহুল৷ শেষ যাত্রায় অভিনেতার মরদেহের উপরেও তাই রাখা ছিল প্রিয় দলের জার্সি!
