কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং সুকান্ত মজুমদার নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভোটের পর রাজ্যে ‘বিজেপি করি না’ বলে মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হবে মানুষজনকে।’
advertisement
বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, ‘‘বাংলায় নির্বাচন হাইজ্যাক করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি করেছেন। নির্বাচন কমিশনের পুরো টিম আমাদের বক্তব্য শুনেছেন৷ আমরা জানিয়েছি, ইলেকশন প্রসেস কীভাবে হাইজ্যাক করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘরে ঘরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের কর্মীরা ভোটাগের হুমকি দিচ্ছে। আমরা তথ্য প্রমাণ-সহ সেটা তুলে ধরেছি৷ গত তিন নির্বাচনে এভাবেই ভয় দেখিয়ে জিতেছে। এবার যাতে সেটা না হয় তাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা জানিয়েছি৷’’
বিজেপির অভিযোগ, ‘‘স্থানীয় প্রশাসন এবং ইলেকশন মেশিনারিকে নিজেদের হাতে নিয়ে রেখেছে তৃণমূল। সেটা যাতে না করতে পারে তাই ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি। এবার তৃণমূল বুঝতে পেরেছে হারবে। তাই এবার নির্বাচন হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে৷’’
সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘হারের ভয়ে ডেসপারেট হয়ে গিয়েছেন। তাই ভোটারদের ভয় দেখানোর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন৷ একজন মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিচ্ছেন ভোটের পর বাড়ির বাইরে প্ল্যাকার্ড দিয়ে বলতে হবে৷ হারবেন বুঝতে পেরে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারের থেকে ব্যান করার এবং ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন করানোর অনুরোধ করেছি৷ ছ দফা দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে৷’’
